দেশবিদেশ ডেস্ক | রবিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২২
ঘরোয়া ফুটবলে সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় রেফারিং। রেফারিদের সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে বিস্তর। বিদেশি রেফারির ব্যবহার নিয়েও হচ্ছে ব্যাপক পর্যালোচনা। কিন্তু যারা এখন রেফারিং করছেন তাদের কম সম্মানী ও বকেয়ার বিষয় থেকে গেছে আলোচনার বাইরে।
৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ। এই লিগ শুরুর দোরগোড়ায় থাকলেও গত আসরের লিগের দ্বিতীয় লেগের সম্মানী এখনো পাননি রেফারিরা। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের এক পর্বের অর্থ পেলেও এখনো রেফারিদের চ্যাম্পিয়নশিপ লিগের কিছুই দেওয়া হয়নি। এর পাশাপাশি সদ্য সমাপ্ত ফেডারেশন কাপ, স্বাধীনতা কাপের সম্মানীও বকেয়া।
একাধিক রেফারি জানিয়েছেন, গত লিগের আংশিক, চ্যাম্পিয়নশিপ লিগ ও এই মৌসুমের দুই টুর্নামেন্ট মিলিয়ে ৪০ লাখ টাকার উপর বকেয়া রয়েছে তাদের। বঙ্গবন্ধু জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ চলছে। এই চ্যাম্পিয়নশিপের রেফারিজ বিলও চল্লিশ লাখ টাকার উপর। আরো কিছু টুর্নামেন্ট মিলিয়ে রেফারিদের বাফুফের কাছে পাওনার অঙ্ক প্রায় কোটি টাকার কাছাকাছি।
রেফারিদের এই বকেয়ার কিছু অংশ লিগ শুরুর আগে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে জানান রেফারিজ কমিটির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইব্রাহিম নেছার, ‘কিছু দিন আগে রেফারিজ কমিটির সভা হয়েছিল। সেই সভায় রেফারিদের বকেয়া সম্মানীর বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। লিগ শুরুর আগে রেফারিদের কিছু অর্থ দেওয়ার ব্যাপারে হিসাব বিভাগকে অনুরোধ করা হয়েছে।’
প্রিমিয়ার লিগ, চ্যাম্পিয়নশিপ লিগ ও দুই টুর্নামেন্টের বিল হিসাব বিভাগে ইতোমধ্যে জমা দিয়েছে রেফারিজ বিভাগ। বঙ্গবন্ধু জাতীয় চ্যাম্পিয়নশীপের বিল অবশ্য এখনো জমা দেয়নি।
রেফারি ফুটবলের অন্যতম প্রধান অংশ। সেই রেফারিদের সম্মানী এমনিতেই কম। সেখানে তাদের সেই অর্থ বকেয়া থাকলে সেটা ম্যাচে পারফরম্যন্সে প্রভাব পড়াটা অস্বাভাবিক নয়। কোড অফ কন্ডাক্টের কারণে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন রেফারি বলেন, ‘রেফারিদের বকেয়ার বিষয় ফেডারেশন বরাবরই উদাসীন। প্রায়ই আমাদের বকেয়া থাকে, তবে করোনার সময় অনেক প্রতিকূলতার মধ্যে খেলা পরিচালনা করার বকেয়া থাকাটা দুঃখজনক।’
Posted ৯:৪৬ অপরাহ্ণ | রবিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২২
dbncox.com | ajker deshbidesh