সোমবার ২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

৩৮ বীরাঙ্গনাকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি

দেশবিদেশ অনলাইন ডেস্ক   |   মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই ২০১৮

৩৮ বীরাঙ্গনাকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি
একাত্তরে পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকারদের হাতে নির্যাতনের শিকার ৩৮ জন বীরাঙ্গনাকে  মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেয়া হল। এ সব বীরঙ্গনার নাম অন্তর্ভুক্ত করে গেজেট প্রকাশ করছে মুক্তিয্দ্ধোা বিষয়ক মন্ত্রণালয়। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের ৫৪তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সব বীরঙ্গনাকে  মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেয়া হল। এ নিয়ে ২৩১ জন বীরঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেলেন। মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাওয়া বীরাঙ্গনারা প্রতি মাসে ভাতাসহ মুক্তিযোদ্ধাদের মত অন্যান্য সকল সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
এবার যেসব বীরঙ্গনাকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে তারা হলেন- নীলফামারীর জলঢাকার মোছা. শাহেলা বেগম, ঠাকুরগাঁও সদরের মোছা. আমেনা বেওয়া এবং লালমনিরহাট সদরের শেফালী রানী, মোছা. রেজিয়া, মোছা. মোসলেহা বেগম এবং শ্রীমতি জ্ঞানো বালা, চট্টগ্রামের পটিয়ার আছিয়া বেগম, ফেনীর ছাগলনাইয়ার রহিমা বেগম এবং কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আফিয়া খাতুন খঞ্জনী, জয়পুরহাট সদরের মোসা. জাহানারা বেগম, নওগাঁ সাপাহারের মৃত পান বিলাসী, নাটোর বড়াইগ্রামের মোছা. হনুফা এবং সিরাজগঞ্জের তাড়াশের অর্চনা সিংহ ও মৃত পচি বেওয়া, চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার মোছা. ওজিফা খাতুন, দয়ারানী পরামানিক ও মোছা. রাবেয়া খাতুন; কুষ্টিয়ার কুমারখালীর মাছুদা খাতুন মোছা. মোমেনা খাতুন ও মোছা. এলেজান নেছা; কুষ্টিয়া সদরের মৃত রাজিয়া বেগম এবং বাগেরহাটের রামপালের মোসা. ফরিদা বেগম, শেরপুরের নালিতাবাড়ীর মোছা. মহিরন বেওয়া, মোছা. আকিরন নেছা, মোছা. জতিরন বেওয়া, মোছা. হোসনে আরা, মোছা. হাজেরা বেগম (পিতা মৃত উমেদ আলী) ও হাজেরা বেগম (পিতা মৃত হাসেন আলী) এবং শেরপুরের ঝিনাইগাতীর মৃত ফিরোজা খাতুন, শরীয়তপুর সদরের জুগল বালা পোদ্দার, যোগমায়া ও সুমিত্রা মালো; গোপালগঞ্জ সদরের হেলেনা বেগম ও ফরিদা বেগম এবং গাজীপুরের কালীগঞ্জের মোসা. আনোয়ারা বেগম. ঝালকাঠি সদরের সীমা বেগম ও মোসা. আলেয়া বেগম এবং হবিগঞ্জের মাধবপুরের সন্ধ্যা ঘোষ।
১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সময় নির্যাতিত নারীদের ‘বীরাঙ্গনা’ স্বীকৃতি দিয়ে তাদের সম্মান জানান। তার নির্দেশনায় বীরাঙ্গনাদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের কাজ শুরু হয়, যা ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের আগ পর্যন্ত চলছিল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর এই প্রক্রিয়াটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সামরিক শাসকদের মাধ্যমে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে পাকিস্তানি জান্তার সহযোগীদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু হয়। মুক্তিযুদ্ধের চার দশক পর ২০১৪ সালের ১০ অক্টোবর বীরাঙ্গনাদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল। পরের বছরের ২৯ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে ওই প্রস্তাব পাস হয়।
দেশবিদেশ /১৭ জুলাই ২০১৮/নেছার

Comments

comments

Posted ১০:২২ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই ২০১৮

dbncox.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

প্রকাশক
তাহা ইয়াহিয়া
সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
01870-646060
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com