বৃহস্পতিবার ১৮ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

শাপলাপুর বড় বাজারে ফোরকানের কাপড়ের দোকান পুড়ে ছাই: ৩০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

আব্দুল্লাহ আল ফরহাদ   |   শুক্রবার, ১০ নভেম্বর ২০২৩

শাপলাপুর বড় বাজারে ফোরকানের কাপড়ের দোকান পুড়ে ছাই: ৩০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

মহেশখালীর শাপলাপুর ইউনিয়নের শাপলাপুর বড় বাজারে ফোরকান সদরের কাপড়ের দোকান আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বুধবার (০৮ নভেম্বর ২০২৩ইং) রাত ১১টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।

এ সময় ফোরকান সদরের দোকানের পাশের আরও একটি ফার্মেসি আগুনে পুড়ে গেছে। এ ঘটনায় প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতির হয়েছে বলে জানিয়েছেন দোকান মালিক ফোরকান।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত সাড়ে ১১.৩০ মিনিটে শাপলাপুর বড় বাজারে ফোরকান সদরের কাপড়ের দোকানে বৈদ্যুতিক শটসার্কিট থেকে আগুন লাগে। স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে।

স্থানীয়দের এক ঘন্টার প্রচেষ্ঠায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আসে। খবর পেয়ে মহেশখালীর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসলেও ততক্ষণে আগুন নিভে যায়।

দোকান মালিক ফোরকান জানান, আমি প্রতিদিনের মত রাত ১১টায় দোকান বন্ধ করে বাসায় চলে যায়। কিছুক্ষণ পরে খবর আসে আমার দোকানে আগুন লাগছে। খবর পেয়ে তাড়াতাড়ি ছুটে এসে দেখি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। কাপড় সরানোর সুযোগ পায়নি। দোকানে ৩০ লক্ষ টাকার মালামাল ছিল সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

এ বিষয়ে শাপলাপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্য‍ানেল চেয়ারম্যাম এম.জসিম উদ্দিন মাহমুদ জানান, শাপলাপুর বড় বাজারে ফোরকানের কাপড়ের দোকানে আগুন লেগে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রাত ১১টায় ফোরকান দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে গেলে তৎক্ষনাত বৈদ্যুতিক শটসার্কিট থেকে আগুন লাগে।

আগুন দেখে স্থানীয় শতশত লোকজন পাশের পুকুর থেকে পানি এনে প্রায় এক ঘন্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

মহেশখালীর ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসলেও ততক্ষণ স্থানীয়রা আগুন নিভিয়ে ফেলে।

ফোরকানের দোকানে প্রায় ২০-২৫ লক্ষ টাকার মালামাল ছিল সব পড়ে গেছে। আগুনে একটি ফার্মেসিও পুড়ে গেছে।

তিনি আরও জানান, সাতঘর পাড়া, হিন্দু পাড়া, পশ্চিম পাড়ার শত শত লোকজন অনেক কষ্ট করে আগুন নিভিয়েছে, তারা না হলে আরো অনেক দোকান পুড়ে যেত, তাদেরকে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

শাপলাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান (ইউপি) এস এম এডভোকেট আব্দুল খালেক চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গেছেন বলেও জানান তিনি।

Comments

comments

Posted ৪:২০ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, ১০ নভেম্বর ২০২৩

dbncox.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

দশ বছর পর
দশ বছর পর

(1548 বার পঠিত)

সেই মা সেই ছবি
সেই মা সেই ছবি

(1168 বার পঠিত)

(1146 বার পঠিত)

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

প্রকাশক
তাহা ইয়াহিয়া
সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
01870-646060
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com