মঙ্গলবার ২৮শে মার্চ, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই চৈত্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

ভুমিদূস্য ও হুন্ডি ব্যবসায়ী আলী ইসলাম বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

  |   বুধবার, ০১ মার্চ ২০২৩

ভুমিদূস্য ও হুন্ডি ব্যবসায়ী আলী ইসলাম বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ২৩/০২/২০২৩ ইং তারিখের দৈনিক দেশবিদেশ ও বাঁকখালী পত্রিকায় প্রকাশিত “রামুতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা” শীর্ষক সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়। পত্রিকায় প্রকাশিত মতে স্থানীয় শামশুল হুদা চৌধুরীর ছেলে আলমগীর আলমের নামে সংবাদ পত্রে যে সমস্ত তথ্য প্রচার করেছেন তাহা সম্পূর্ণরূপে বানোয়াট, ষড়যন্ত্রমূলক ও বিদ্বেষী হয়। প্রকৃত পক্ষে উল্লেখিত আলমগীর একজন ভদ্র, নম্র ও সমাজ সেবক ও অন্যায়ের প্রতিবাদী লোক হন। এলাকায় সন্ত্রাস প্রকৃতির লোক ও অসামাজিক কার্যকলাপে ও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে অবস্থান করায় তাকে এলাকায় হেয় করার উদ্দেশ্যে তৎবিরুদ্ধে উক্তরূপ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। আমরা উক্তরূপ প্রকাশিত অসত্য সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। প্রকাশিত সংবাদের সংক্ষিপ্ত তথ্য বর্তমানে বিজ্ঞ রামু সহকারী জজ আদালতের চলমান অপর ৩৩৬/২১ ইং মামলার বাদী আশরাফ আলী ও বিবাদী ওবাইদুল হক গং। অত্র মামলার নালিশী জমি আর,এস ১৬৪ নং খতিয়ানের জমি হয়। উক্ত জমি আর,এস রায়ত অলি চান্দ হইতে ১২/০৪/১৯৪৩ ইং তারিখের ১০৩৩ নং দলিলমূলে ২.০৮ একর জমি বাদীআনর উল্লাহ মিয়াজী তৎপর ১৯৪৭ সালের ১৫৬৮ নং অংশনামামূলে ছৈয়দ আহমদ প্রাপ্ত হন। তৎমতে তাহার ওয়ারিশদের নামে সঠিক শুদ্ধভাবে বি,এস ৪৫২ নং খতিয়ান প্রচারিত। তৎপর বি, এস রায়ত ছৈয়দ আহমদের স্ত্রী গোল বাহার হইতে ২২১৫ নং রেজিঃ দলিলমূলে ৪৬ শতক জমি তৎপুত্র বি,এস রায়ত আশরফ আলী খরিদ করেন। ফরিদা বেগম হইতে ১৯৭৮ সালে ৫২০৩ নং রেজিঃ দলিলমূলে ৪১ শতক জমি বি,এস রায়ত মোক্তার আহমদ ও আশরফ আলী খরিদ করেন। মৌং আশরফ আলী ২০০৪ সালে ২১৫২ নং রেজিঃ দলিলমূলে ১৩ শতক, ২০০৬ সালে ০৬ শতক জমি ওসমান গণি, আলী ইসলাম, নুরুল আজিম, নুরুল আমিনকে বিক্রি করে দখল বুঝিয়ে দেন। মৌং আরাফ আলী ২০০৬ সালে ০৬ নং রেজিঃ দলিলমূলে ০৬ শতক জমি মোক্তার আহমদকে বিক্রি করে। বি,এস জরিপের সময় ভুলভাবে ২৬ শতক জমি সিরাজুল হক গং এর নামে দখল বিষয়ক মন্তব্য কলামে লিপি হওয়ায় রেকর্ড সংশোধনের নিমিত্ত মোক্তার আহমদ বাদী হয়ে অপর ৭৭৮/২১ ইং মামলা দায়ের করেন। যাহা বিচারাধীন আছে। বিগত ২০ বৎসর যাবৎ টিনশেড বাড়ী ও সুপারী গাছ উপলক্ষে আলী ইসলাম দখলে আছে। শান্তি ভঙ্গের আশংকায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ওবাইদুল হক গং এর বিরুদ্ধে এম,আর ২৪৩/২৩ নং মামলা দায়ের করেন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের নির্দেশিতমতে সরেজমিনে তদন্ত করার জন্য ৮/২/২৩ ইং তারিখ তদন্তের দিন ধার্য থাকায় উক্ত দিন আলমগীরের নেতৃত্বে নালিশী ভূমিতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পিকনিকের নাম ভাঙ্গিয়ে ওবাইদুল হক গং সাইন বোর্ড টাঙ্গিয়ে ২০/৩০ জন ভাড়াটিয়া মহিলা দিয়ে বাগান বাড়ীতে পিকনিকের আয়োজন করায় ঘটনাস্থল থেকে রামু থানা পুলিশ খবর পেয়ে ৪ জন মহিলাকে আটক করে ৫৪ ধারায় অভিযোগে দিয়ে চালান করেন এবং পুলিশ নিজেই নালিশী জমির তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত করার জন্য সহকারী তহশীলদার বাবু চন্দন কুমারকে নিষেধ করেন ইত্যাদি উক্তিয়াদি সংবাদ প্রচারের বক্তব্য। যাহা ওবাইদুল হক গং কর্তৃক অস্বীকৃত বিষয় হিসাবে গণ্য।
ঘটনা ও মামলার প্রকৃত তথ্য ঃ – মেরংলোয়া মৌজার আর, এস ১৬৪ নং খতিয়ানের আর,এস রায়ত আজিম উদ্দিনের পুত্র অলি চাব্দ এর রায়তীয় স্বত্ব দখলীয় জমি ছিল। উক্ত খতিয়ানে আর,এস ১৫৯৫,
ক্স ক্স ক্স ১৬০০, ১৬০৩, ১৫৯৬ নং দাগাদির মোট ১.৮৮ একর ও আর,এস ১৬৫ নং খতিয়ানের আর.এস ১৬০১, ১৬০২ নং দাগদ্বয়ের মোট :২০ একর জমি হিত আছে। উক্ত আর,এস ১৬৫ নং খতিয়ানের রায়ত ওয়াজদ্দিনের পুত্র আজম উল্লা ও পেঠান এর পুত্র মগবুল আলীর স্বত্ব দখলীয় জমি ছিল। আর, এস ১৬৪ নং খতিয়ানের রায়ত অলি চান্দ মৃত্যুবরণ করায় তৎত্ত্বত্ব তাহার ওয়ারিশ পুত্র সুলতান আহমদ ও কন্যা ছলেমা খাতুন প্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে সুলতান আহমদ তাহার সম্পূর্ণ স্বত্ত্ব তৎসহোদর বোন ছলেমা খাতুন বরাবরে হস্তান্তর করে তিনি স্বপরিবারে পার্শ্ববর্তী দেশ মায়ানমারে চলে যান। বি,এস জরিপের সময় উক্ত ছলেমা খাতুন ও তওয়ারিশ ওবাইদুল হক গং নালিশী জমিতে দখলে পাইয়া তাহাদের নামে ১৪ আনা অংশে বি.এস. ৪৫২ নং খতিয়ানে লিপি হয়। উক্ত খতিয়ানে ভুলভাবে ২ আনা অংশ জমি বহিরাগতদের তথা মোক্তার গং এর নামে লিপি হয়। উক্ত কারণে ছলেমা খাতুনের ওয়ারিশ ওবাইদুল হক গং রেকর্ড সংশোধনের আবেদনে বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ ২য় আদালতে অপর ১৮১/১৭ ইং মামলা দায়ের করেন। যাহা বর্তমানে বিচারাধীন আছে। নালিশী বি,এস ৪৫২ নং খতিয়ানের জমি বাড়ী ও সুপারী বাগান উপলক্ষে পূর্ববর্তীক্রমে ওবাইদুল হক গং দখলে ছিলেন ও আছেন।
পক্ষান্তরে ¯’ানীয় আনর উল্লাহ মিয়াজীর পুত্র ছৈয়দ আহমদ একজন প্রতারক ও ভূমি দস্যু প্রকৃতির লোক ছিল। তিনি তৎসময়ে মোটামুটি শিক্ষিত লোক হওয়ায় বিভিন্নভাবে গরীব অসহায় লোকদের খতিয়ানের জমির ভূয়া দলিল সৃজন করাই ছিল তাহার কাজ। যেমন মেরংলোয়া মৌজার নালিশী আর,এস ১৬৪ নং খতিয়ানের প্রকৃত রায়ত অলিচান্দ তবে তার হলে নিলাম খরিদ্দার অঞ্জু বড়ুয়াকে রায়ত বানিয়ে মোক্তার আহমদের পিতা ছৈয়দ আহমদ স্বয়ং বিগত ১২/০৪/১৯৪৩ ইং তারিখের ১০৩২ নং রেজিঃযুক্ত দলিলমূলে আর,এস ১৬৪ নং খতিয়ানের আর, এস ১৫৯৫, ১৬০০, ১৬০৩, ১৬৯৬ নং দাগের জমি লিপি করে তদনামে দলিল সম্পাদন করেন। একইদিনে পুনরায় উক্ত ছৈয়দ আহমদ ১০৩৩ নং দলিলমূলে একই খতিয়ানের আর,এস ১৫১৫, ১৬০০, ১৬০৩, ১৫৯৬ নং দাগ উল্লেখ করে তদপিতা আনর উল্লাহ মিয়াজীর নামে দলিল সম্পাদন করেন। উভয় দলিলের তফসিলের আর,এস দাগ ভিন্ন ভিন্ন হয়। উক্ত ছৈয়দ আহমদ শুধুমাত্র ওবাইদুল হক গং ঠকাই নিই বরং তৎ সহোদর বোন গোলতাজ বেগম ও মাতা নয়নজানের টিপ জাল করে বিগত ৭/০৫/১৯৪৭ ইং তারিখের ১৫৬৮ নং অংশনামা দলিল সম্পাদনক্রমে বিগত ১২/০৪/১৯৪৩ ইং তারিখের ১০৩৩ নং কবলার গ্রহীতা সৈয়দ আহমদের নামে লিপি করে রাখেন। উক্ত অংশনামায় আর, এস ১৫৯৫ এর ¯’লে ১৯৯৫, আর, এস ১৫৯৬ এর ¯’লে ১৬৯৬ নং দাগ লিপি করে মিথ্যা ও ফেরবীভাবে ১৫৬৮ নং অংশনামা দলিল সম্পাদন করেছেন দৃষ্ট হয়। ১৯৭১ সালে দেশে বি,এস জরিপ হইলে তৎসময়ে ফেরব ও দূর্নীতিবাজ ছৈয়দ আহমদের ওয়ারিশ মোক্তার আহমদ গং এর পিতার নামে সম্পাদিত ১৫৬৮ নং অংশনামা অনুবলে জরিপ কর্মচারীগণকে লোভে বশীভূত করিয়া আর,এস ১৬৪ নং খতিয়ানের জমি সংক্রান্তে প্রচারিত বি,এস ৪৫২ নং খতিয়ান তাহাদের নামে ২ আনা অংশ লিপি করিয়া রাখিয়াছিলেন। মোক্তার আহমদ ও আশরাফ আলী ছলেমা খাতুনের চাষা ছিলেন মাত্র। তদসুবাদে মোক্তার গং নামে ২ আনা অংশ লিপির বিষয়ে ছলেমা খাতুনের ওয়ারিশ ওবাইদুল হক গং জানিতেন না। মোক্তার আহমদ গং ২ আনা অংশে রায়ত কলামে লিপি করিলেও বি,এস ১৯৫৬, ১৯৫৯, ২৪১৭ নং দাগের দখল বিষয়ক মন্তব্য কলামে মোক্তার গং লিপি ভুল ছিল। আরো উল্লেখ্য যে, তাহাদের পূর্ববর্তী ছৈয়দ আমদের নামে সম্পাদিত ১৫৬৮ নং অংশনামায় বর্ণিত তফসিলের জমি বি,এস ৪৫২ নং খতিয়ানে অন্তর্ভূক্ত হয় নাই। অতঃপর ভুলভাবে প্রচারিত বি,এস ৪৫২ নং খতিয়ানের জমির দখল না পাওয়ায় খতিয়ান অনুসারে জমির দখল পাওয়ার জন্য ওবাইদুল হক গং এর বিরুদ্ধে রেকর্ডীয় বি,এস রায়ত মোক্তার আহমদ বাদী হয়ে বিজ্ঞ রামু সহকারী জজ আদালতে অপর ৭৭৮/২১ ইং মামলা ও তৎভ্রাতা আশ্রাফ আলী অপর ৩৩৬/২১ ইং মামলা দায়ের করেছেন। প্রতিটি মামলায় ওবাইদুল হক গং কে বিবাদী করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, তাহাদের নামে ভুলভাবে প্রচারিত বি,এস ৪৫২ নং খতিয়ানের জমি বিগত ০৩/০৯/২০০০ ইং তারিহের ৯৫৭ নং কবলামূলে শফিকুল ইসলামের পুত্র ছাবের আহমদকে বিক্রি করে নালিশী বি.এস ৪৫২ নং খতিয়ানের অংশ হইতে নিঃস্বত্ববান হইয়া যাওয়া সত্বেও বিবাদীগণকে হয়রানী করার উদ্দেশ্যে বিজ্ঞ আদালতে দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলা দায়ের করেছেন। আলী ইসলাম গং বিগত ২৭/১০/২০০৪ ইং ও ০২/০১/২০১৬ ইং তারিখের সম্পাদিত দলিলমূলে কোন স্বত্ব অর্জন করেন নাই। যেহেতু ২১৪২ ও ০৬ নং কবলা দলিলের দাতাগণ ০৩/০৯/২০০০ ইং তারিখের ৯৫৭ নং রেজিঃ কবলা ও ২৪/০৬/২০ ইং তারিখের ১৪৭১ নং রেজিঃ কবলা সম্পাদনক্রমে রেকর্ডীয় রায়ত মোক্তার গং সম্পূর্ণরূপে নিঃস্বতবান ছিলেন। উল্লেখিত এম. আর ২৪৩/২৩ নং মামলায় ১ম পক্ষ আলী ইসলাম ও তদভ্রাতা নুরুল আমিন দুজনই হুন্ডি ব্যবসায়ী ও সমাজের দুশ্চরিত্রবান ব্যক্তি হয়। উল্লেখিত ভূমিদস্যু ও হুন্ডি ব্যবসায়ী আলী ইসলাম বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের দায়েরী এম, আর ২৪৩/২৩ নং মামলামূলে পুলিশের মাধ্যমে ওবাইদুল গং কে বিভিন্ন প্রকার হুমকি-ধমকি ও আরো ফৌজদারী মামলার ভয়-ভীতি প্রদর্শন করিয়া আসিতেছেন। ইতিমধ্যে ওবাইদুল হক গং এর ছেলে মেয়েরা তাহাদের নিজস্ব জমিতে পারিবারিকভাবে পিকনিকের আয়োজন করিলে বিগত ০৮/০২/২৩ ইং তারিখ তাহাদের বসত ঘরে হানা দিয়ে ৪ জন মহিলাকে প্রথমে থানায় পরে ৫৪ ধমারামতে কোর্টে চালান করেন। উক্ত ৪ জন মহিলাকে বিজ্ঞ আদালত জামিন প্রদান করায় পুনরায় তাহাদের বিরুদ্ধে ও আরো অনেকজনকে তথা মোট ২৫ জনকে আসামী করে বিনা কারণে বেআইনীভাবে আসামী করে ১৪৩, ৪৪৭, ৩২৩, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭, ৪২৭, ৫০৬ ধারা উল্লেখ করে রামু থানায় ১৫/৫৮ নং মামলা দায়ের করে প্রতিনিয়ত হয়রানী করে আসছেন। ইত্যাদি মামলা মোক্তার আহমদের ছেলে আলী ইসলামের সাজানো নাটক। ভুমিদূস্য ও হুন্ডী ব্যবসায়ী আলী ইসলাম একজন প্রতারক ও বাটপার শ্রেনীর লোক। গত ২৯ শে জানুয়ারী আজকের দেশবিদেশ পত্রিকায় অভিযুক্ত আলী ইসলাম ও ধৃত মোঃ আলমগীর নামে রামুর মধ্যম মেরুংলোয়া জায়গা দখলে নিতে রাতের আধারে বসতঘরে আগুন দেয়ার অপচেষ্ঠা শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। আলী ইসলাম এর নির্দেশে ধৃত মোঃ আলমগীর পাচঁ হাজার টাকার বিনেময়ে বসত ঘরে আগুন দেয়ার চেষ্ঠা করে। শুধুমাত্র ফেরবী দলিলমূলে ওবাইদুল হক গংএর স্বত্ব দখলীয় মেরংলোয়া মৌজার বি, এস ৪৫২ নং খতিয়ানের জমি দখল করায় তার একমাত্র উদ্দেশ্য। অতঃপর ভূক্তভোগী আসামী ওবাইদুল গং ¯’ানীয় প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করেছেন। তদসঙ্গে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানা”িছ।
প্রতিবাদকারী
(ওবাইদুল হক গং) পিতা- মৃত বদরজামান
গ্রাম-মধ্যম মেরংলোয়া, উপজেলা- রামু, জেলা- কক্সবাজার।

মেরংলোয়া মৌজার বি,এস ৪৫২ নং খতিয়ানের প্রকৃত রায়ত ও দখলকার।

Comments

comments

Posted ১১:৩৫ অপরাহ্ণ | বুধবার, ০১ মার্চ ২০২৩

dbncox.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

প্রকাশক
তাহা ইয়াহিয়া
সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
01870-646060
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com