বৃহস্পতিবার ২৩শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম
(টাকার ভাগ যায় সব সেক্টরে) কারা চাঁদা তুলছে জানলেও কিছু করতে পারছেনা কেউ

ভাড়া দেওয়া হচ্ছে ফুটপাত

মাহাবুবুর রহমান.   |   শুক্রবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৪

ভাড়া দেওয়া হচ্ছে ফুটপাত

ভাড়া দেওয়া হচ্ছে কক্সবাজার শহরের ফুটপাত। জানা গেছে.এসব ফুটপাত থেকে দৈনিক লাখ টাকার বেশি চাঁদা তুলছে এক শ্রেণীর যুবকরা। এলাকা ভিত্তিক ফুটপাত ইতি মধ্যে লীজের মত করে চাঁদা তুলা হ”েছ,কিš‘ প্রশ্ন হ”েছ বিপুল পরিমান এই টাকা যা”েছ কোথায়,পারা পা”েছ ফুটপাত ভাড়া দেওয়া এসব টাকা। শহরের গুরুত্বপূর্ন সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলি পর্যন্ত এখন ভ্রাম্যমান এবং ¯’ায়ী হকারদের দখলে। ফুটপাত ছাড়াও সরকারি রাস্তা দখল করে ব্যবসা করছে তারা। এতে চরম হয়রানীর শিকার হ”েছ সাধারণ মানুষ। এছাড়া তীব্র যানজটতো আছেই। অন্যদিকে পুলিশ প্রশাসন ধীরে চলো নীতি অবলম্বন করছে। ফলে এক শ্রেণীর সিন্ডিকেট আরো বেপরোয়া ভাবে হকার এবং ফুটপাত ব্যবসা জমিয়ে তুলেছে।
কক্সবাজার শহরের রক্ষিত মার্কেটের সামনে ভ্রাম্যমান হকার মোস্তফার কাছে জানতে চাইলে তিনি অপকটে স্বীকার করেন,দৈনিক ১০০ টাকা চাঁদা দিতে হয় এখাবে ব্যবসা করার জন্য। মনছুর নামের এক ব্যাক্তি টাকা তুলে। কার জন্য এই টাকা জানতে চাইলে মোস্তফার দাবী এখানে অনেকে আছে,নাম বলা যাবে না। তবে সব কিছু তারা ম্যানেজ করে। আবার মাঝেমধ্যে লাথিমেরে তুলে দেয়। পরে অন্য জায়গায় যায় কি আর করবো।
পাশের খেজুরের দোকানদার আলিমুদ্দিন বলেন,আমি ৫ বছর ধরে এখানে ব্যবসা করছি, চাঁদাতো নিয়মিতই দিতে হয়। তিনি জানান,এখানে এখানে ছাত্রলীগের এক ভাই লোক ঠিক করে দিয়েছে,তার কথামত এখানে প্রায় হকার থেকে নিয়মিত টাকা তুলা হয়।
শহরের পালংকি হোটেল রোড়ে বেশ কয়েকজন সিএনজি চালকের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন,রাস্তার উপর গাড়ী পার্কিং করে যাত্রী উঠানামা ঠিক না। সেটা আমরাও বুঝি কিš‘ কি করবো উপায় নেই। তিনি জানান,এখানে শ্রমিক লীগের পক্ষ থেকে লোক ঠিক করে দেওয়া আছে তারাই নিয়মিত গাড়ী প্রতি ৩০ টাকা করে নেয়।
সুপার মার্কেটের সামনে জিপি ধর জুয়েলার্সের সামনে কয়েকজন হকারের সাথে কথা বলে জানা গেছে,এখানে জায়গা ভাড়া হিসাবে নিয়ে ব্যবসা করতে হয়। দিনে একজন হকার রাতে আরেক জন হকার। আবার ৪ ঘন্টার জন্য ডিম ব্যবসায়ি,পরে ঘড়ি ব্যবসায়ি বা কাপড়ের ব্যবসায়ি। তাদের দাবী পেশকার পাড়া এলাকার ২ জন লোক নিয়মিত টাকা তুলে,তারা পৌরসভার নাম দিয়ে এসব টাকা তুলে এটা সবাই জানে।
এ সময় পাশের চটপটি ব্যবসায়ি বলেন,আমি দৈনিক ২০০ টাকা দিলে এখানে দাড়াতে দেয়,নাহলে এখানে দাড়াতে পারিনা। তার দাবী এখানে শ্রমিক ফেডারেশন,দোকান মালিক ফেডারেশন,পৌরসভা,পুলিশ সবার পক্ষ থেকে কিছু মানুষ দায়িত্বপালন করে। তারাই নিয়মিত টাকা তুলে নিয়ে যায়।
এদিকে কক্সবাজার হাসপাতাল সড়কের দুপাশে রাস্তায় অন্তত ৩০ টি ভ্রাম্যমান দোকান থেকে হাসপাতাল পুলিশ,আনচার,হাসপাতালে কিছু কর্মচারী,পৌরসভার কিছু কর্মচারী দৈনিক ১৫০ থেকে ২০০ টাকা চাঁদা নেয় বলে জানান ফল,কাপড়,ডাব,কলা,কাপড় ব্যবসায়িরা। তাদের দাবী টাকা দিতে একদিন দেরী হলে চড় থাপ্পড় মেরে এখান থেকে তুলে দেয়। আবার নতুন ¯’ানে কিনে নিতেও অনেক সময় অগ্রিম টাকা দিতে হয়। মোট কথা কক্সবাজারের ফুটপাত এখন ভাড়া দেওয়া হয়। আমরা এখানে ভাড়া দিয়েই ব্যবসা করি।
এ ব্যপারে নাম প্রকাশে অনি”ছুক জেলা প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন,ফুটপাত নিয়ে চাঁদাবাজি এটা দেশের সব বড় শহরে আছে। এটা বন্ধ করতে হলে কঠোর আইন দরকার। কক্সবাজারে কে কোন পথে,কোন রাস্তায় চাঁদাবাজি করে এটা সবাই জানে। দু:খের বিষয় হ”েছ যারা ফুটপাত দখল করে চাঁদাবাজি করে তারাই আবার প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় এসবের বিরুদ্ধে কথা বলে।
এ ব্যপারে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মো: জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন,কক্সবাজারে বেশি আইন প্রয়োগ করাটা অনেক মুশকিল। আপনারা অনেকেই জানান,কিছুদিন আগে কলাতলীতে ফুটপাত থেকে অবৈধ দোকান উ”েছদ করতে গিয়ে আমাদের এক ট্রাফিক সার্জনের বিরুদ্ধে উল্টো মিথ্যা অভিযোগে সংবাদ প্রকাশ করে তাকে হেয়প্রতিপন্ন করা হয়েছিল। তার সমস্ত অর্জন চোখের জলে ভাসিয়ে দিয়ে কক্সবাজার থেকে চলে গেছে। আর বর্তমানে ঈদের মৌসুম মানবিক কারনেও অনেক কিছু সম্ভব না। তবে ঈদের পরে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে ফুটপাত দখলমুক্ত করার একটি উদ্দ্যোগ নেওয়া হবে।
ভাড়া দেওয়া হ”েছ ফুটপাত
(টাকার ভাগ যায় সব সেক্টরে) কারা চাঁদা তুলছে জানলেও কিছু করতে পারছেনা কেউ

ভাড়া দেওয়া হ”েছ কক্সবাজার শহরের ফুটপাত। জানা গেছে.এসব ফুটপাত থেকে দৈনিক লাখ টাকার বেশি চাঁদা তুলছে এক শ্রেণীর যুবকরা। এলাকা ভিত্তিক ফুটপাত ইতি মধ্যে লীজের মত করে চাঁদা তুলা হ”েছ,কিš‘ প্রশ্ন হ”েছ বিপুল পরিমান এই টাকা যা”েছ কোথায়,পারা পা”েছ ফুটপাত ভাড়া দেওয়া এসব টাকা। শহরের গুরুত্বপূর্ন সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলি পর্যন্ত এখন ভ্রাম্যমান এবং ¯’ায়ী হকারদের দখলে। ফুটপাত ছাড়াও সরকারি রাস্তা দখল করে ব্যবসা করছে তারা। এতে চরম হয়রানীর শিকার হ”েছ সাধারণ মানুষ। এছাড়া তীব্র যানজটতো আছেই। অন্যদিকে পুলিশ প্রশাসন ধীরে চলো নীতি অবলম্বন করছে। ফলে এক শ্রেণীর সিন্ডিকেট আরো বেপরোয়া ভাবে হকার এবং ফুটপাত ব্যবসা জমিয়ে তুলেছে।
কক্সবাজার শহরের রক্ষিত মার্কেটের সামনে ভ্রাম্যমান হকার মোস্তফার কাছে জানতে চাইলে তিনি অপকটে স্বীকার করেন,দৈনিক ১০০ টাকা চাঁদা দিতে হয় এখাবে ব্যবসা করার জন্য। মনছুর নামের এক ব্যাক্তি টাকা তুলে। কার জন্য এই টাকা জানতে চাইলে মোস্তফার দাবী এখানে অনেকে আছে,নাম বলা যাবে না। তবে সব কিছু তারা ম্যানেজ করে। আবার মাঝেমধ্যে লাথিমেরে তুলে দেয়। পরে অন্য জায়গায় যায় কি আর করবো।
পাশের খেজুরের দোকানদার আলিমুদ্দিন বলেন,আমি ৫ বছর ধরে এখানে ব্যবসা করছি, চাঁদাতো নিয়মিতই দিতে হয়। তিনি জানান,এখানে এখানে ছাত্রলীগের এক ভাই লোক ঠিক করে দিয়েছে,তার কথামত এখানে প্রায় হকার থেকে নিয়মিত টাকা তুলা হয়।
শহরের পালংকি হোটেল রোড়ে বেশ কয়েকজন সিএনজি চালকের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন,রাস্তার উপর গাড়ী পার্কিং করে যাত্রী উঠানামা ঠিক না। সেটা আমরাও বুঝি কিš‘ কি করবো উপায় নেই। তিনি জানান,এখানে শ্রমিক লীগের পক্ষ থেকে লোক ঠিক করে দেওয়া আছে তারাই নিয়মিত গাড়ী প্রতি ৩০ টাকা করে নেয়।

সুপার মার্কেটের সামনে জিপি ধর জুয়েলার্সের সামনে কয়েকজন হকারের সাথে কথা বলে জানা গেছে,এখানে জায়গা ভাড়া হিসাবে নিয়ে ব্যবসা করতে হয়। দিনে একজন হকার রাতে আরেক জন হকার। আবার ৪ ঘন্টার জন্য ডিম ব্যবসায়ি,পরে ঘড়ি ব্যবসায়ি বা কাপড়ের ব্যবসায়ি। তাদের দাবী পেশকার পাড়া এলাকার ২ জন লোক নিয়মিত টাকা তুলে,তারা পৌরসভার নাম দিয়ে এসব টাকা তুলে এটা সবাই জানে।
এ সময় পাশের চটপটি ব্যবসায়ি বলেন,আমি দৈনিক ২০০ টাকা দিলে এখানে দাড়াতে দেয়,নাহলে এখানে দাড়াতে পারিনা। তার দাবী এখানে শ্রমিক ফেডারেশন,দোকান মালিক ফেডারেশন,পৌরসভা,পুলিশ সবার পক্ষ থেকে কিছু মানুষ দায়িত্বপালন করে। তারাই নিয়মিত টাকা তুলে নিয়ে যায়।

এদিকে কক্সবাজার হাসপাতাল সড়কের দুপাশে রাস্তায় অন্তত ৩০ টি ভ্রাম্যমান দোকান থেকে হাসপাতাল পুলিশ,আনচার,হাসপাতালে কিছু কর্মচারী,পৌরসভার কিছু কর্মচারী দৈনিক ১৫০ থেকে ২০০ টাকা চাঁদা নেয় বলে জানান ফল,কাপড়,ডাব,কলা,কাপড় ব্যবসায়িরা। তাদের দাবী টাকা দিতে একদিন দেরী হলে চড় থাপ্পড় মেরে এখান থেকে তুলে দেয়। আবার নতুন ¯’ানে কিনে নিতেও অনেক সময় অগ্রিম টাকা দিতে হয়। মোট কথা কক্সবাজারের ফুটপাত এখন ভাড়া দেওয়া হয়। আমরা এখানে ভাড়া দিয়েই ব্যবসা করি।
এ ব্যপারে নাম প্রকাশে অনি”ছুক জেলা প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন,ফুটপাত নিয়ে চাঁদাবাজি এটা দেশের সব বড় শহরে আছে। এটা বন্ধ করতে হলে কঠোর আইন দরকার। কক্সবাজারে কে কোন পথে,কোন রাস্তায় চাঁদাবাজি করে এটা সবাই জানে। দু:খের বিষয় হ”েছ যারা ফুটপাত দখল করে চাঁদাবাজি করে তারাই আবার প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় এসবের বিরুদ্ধে কথা বলে।
এ ব্যপারে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মো: জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন,কক্সবাজারে বেশি আইন প্রয়োগ করাটা অনেক মুশকিল। আপনারা অনেকেই জানান,কিছুদিন আগে কলাতলীতে ফুটপাত থেকে অবৈধ দোকান উ”েছদ করতে গিয়ে আমাদের এক ট্রাফিক সার্জনের বিরুদ্ধে উল্টো মিথ্যা অভিযোগে সংবাদ প্রকাশ করে তাকে হেয়প্রতিপন্ন করা হয়েছিল। তার সমস্ত অর্জন চোখের জলে ভাসিয়ে দিয়ে কক্সবাজার থেকে চলে গেছে। আর বর্তমানে ঈদের মৌসুম মানবিক কারনেও অনেক কিছু সম্ভব না। তবে ঈদের পরে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে ফুটপাত দখলমুক্ত করার একটি উদ্দ্যোগ নেওয়া হবে।

Comments

comments

Posted ৯:৫৯ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৪

dbncox.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

দশ বছর পর
দশ বছর পর

(1553 বার পঠিত)

সেই মা সেই ছবি
সেই মা সেই ছবি

(1172 বার পঠিত)

(1150 বার পঠিত)

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

প্রকাশক
তাহা ইয়াহিয়া
সম্পাদক
মোঃ আয়ুবুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়
প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত এবং দেশবিদেশ অফসেট প্রিন্টার্স, শহীদ সরণী (শহীদ মিনারের বিপরীতে) কক্সবাজার থেকে মুদ্রিত
ফোন ও ফ্যাক্স
০৩৪১-৬৪১৮৮
বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন
01870-646060
Email
ajkerdeshbidesh@yahoo.com